Cancer.png

ক্যান্সার (কর্কট রোগ)

ক্যান্সার একটি রোগের গোষ্ঠী যা অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের ফলে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির দ্বারা চিহ্নিত হয়। দুই প্রকারের পচনশীল ক্ষত (ক্যান্সার)/আব (টিউমার) দেখা যায় : একটি হল ম্যালিগন্যান্ট আব (ম্যালিগন্যান্ট টিউমার) ও অন্যটি বিনাইন কর্কট আব (বিনাইন ক্যান্সার টিউমার)।

ম্যালিগন্যান্ট আব/টিউমার: কর্কট রোগের কোষগুলো তার চারপাশের সুস্থ কোষসমষ্টিসহ অঙ্গগুলোকে আক্রমণ করে এবং ধংস করে দেয়। কর্কট রোগ লসিকাতন্ত্র ও রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শরীরের দূরবর্তী অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।  সকল আব বা টিউমার কিন্তু ক্যান্সার প্রকৃতির নাও হতে পারে।

বিনাইন আব/টিউমার : এই ধরনের ক্যান্সার অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় না বা তার চারপাশের কোষগুলোকে আক্রমণও করে না। এটি সারা শরীরে ছড়িয়েও পড়ে না।

প্রায় ২০০ রও বেশি ক্যান্সার মানুষের জানা আছে।  বেশিরভাগ ক্যান্সার যেখানে শুরু হয় সেই জায়গা হিসাবে তার নাম দেওয়া হয়।  যেমন ''ফুসফুস ক্যান্সার'' ফুসফুসে শুরু হয় এবং ''স্তন ক্যান্সার'' স্তনে শুরু হয়। শরীরের এক অংশ থেকে অন্য অংশে ক্যান্সারের ছড়িয়ে পড়াকে ''মেটাস্ট্যাসিস'' (স্থানান্তরণ) বলা হয়। ক্যান্সারের প্রকৃতি এবং এটা কতটা ছড়িয়েছে তার উপর এর উপসর্গ ও চিকিৎসা নির্ভর করে।  বেশিরভাগ চিকিৎসা পরিকল্পনার মধ্যে সার্জারী, বিকিরণ (রেডিয়েশন) এবং/বা কেমোথেরাপি (রাসায়নিক মিশ্রপ্রয়োগে রোগচিকিৎসা) পড়ে।

তথ্যসূত্রhttp://www.cancer.org/
http://www.who.int/cancer/en/
http://www.iarc.fr/
http://www.cdc.gov/cancer/

মূলত: শরীরের যে অংশে কর্কট রোগ  বৃদ্ধি পায় সেখান থেকে  এর উপসর্গগুলো দেখা দেয়। ক্যান্সারের উপসর্গ সাধারণত: দূর্বলতাসহ ওজন হ্রাস ও ক্লান্তিভাব ইত্যাদির আকারেও দেখা দিতে পারে। সাধারনত পরামর্শ দেওয়া হয় যে, যদি কেউ কয়েক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে শরীরে অস্বাভাবিক উপসর্গ অনুভব করেন তবে তার   চিকিৎসার সাহায্য নেওয়া উচিত।

স্থানীয় উপসর্গ : আব-সমষ্টি (টিউমার) ও তার ঘাতজনিত (আলসার) কারণে  স্থানীয় উপসর্গগুলো ঘটে।  যেমন, খাদ্যনালী-ক্যান্সারের (এপিফেগাল ক্যান্সার) ফলে খাদ্যনালী সংকীর্ণ হয়ে যায় এবং খাবার গিলতে কষ্ট হয়। এটি যথেষ্ট বেদনাদায়ক। ''কলোরেক্টাল ক্যান্সার'' অন্ত্রকে সংকীর্ণ বা বন্ধ করে দিতে পারে, যার ফলে অন্ত্রের কাজের পরিবর্তন ঘটে।

পদ্ধতিগত উপসর্গ : ক্যান্সার যেটি সরাসরি (প্রত্যক্ষ) বা স্থানান্তরণযোগ্য (মেটাস্ট্যাটিক) বিস্তারের দ্বারা যুক্ত নয়, তার দূরবর্তী প্রভাবের ফলে নিচের উপসর্গগুলো দেখা দেয় :

  • অনিচ্ছাকৃত ওজন হ্রাস
  • জ্বর
  • সহজে অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে যাওয়া ( ক্লান্তিভাব)
  • ত্বকের রঙ / চেহারার পরিবর্তন

তথ্যসূত্র :

www.cancerresearchuk.org
www.nhs.uk

কান্সারের বিভিন্ন কারণগুলো হল :

  • উদ্ভব সম্বন্ধীয় (জীনগত) পরিব্যক্তি
  • সূর্য রশ্মি/ বিকিরণে ক্ষতিকর রশ্মির প্রভাব
  • খাদ্য এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপ
  • বংশগত
  • পরিবেশগত বিষয়
  • ইডিওপ্যাথিক অর্থাৎ অজানা

তথ্যসূত্র: www.cancer.org

সাধারনত: স্ক্রিনিংয়ে লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দিলে ক্যান্সারকে  চিহ্নিত করা যায়।

স্ক্রিনিং : স্ক্রিনিংয়ের সাহায্যে ক্যান্সারের প্রথম অবস্থা চিহ্নিত করা যায় (উপসর্গগুলো দেখা দেওয়ার আগে)। অস্বাভাবিক কোষসমষ্টি ক্যান্সার হিসেবে  শুরুর দিকে ধরা পড়লে  চিকিৎসা ও  সুস্থতার  সুযোগ অনেক বেশী থাকে। সময়ের সংগে সংগে উপসর্গগুলো দেখা দেয় এবং ক্রমশ: বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে থাকে ও ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে ক্যান্সারের  চিকিৎসা বা সুস্থ হওয়া ক্রমশ: শক্ত হয়ে যায়। এটি গুরুত্বপূর্ন যে, যদি একজন ডাক্তার স্ক্রিনিং টেস্টের পরামর্শ দেন, তার মানে এই নয় যে ঐ ব্যক্তির অবশ্যম্ভাবীভাবে ক্যান্সারের সম্ভাবনা রয়েছে। ক্যান্সারের সম্ভাবনাযুক্ত রোগীদের অনেকগুলো ডাক্তারী পরীক্ষার দ্বারা চিকিৎসা করা হয়। এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে রক্তপরীক্ষা, এক্স-রে, এম আর আই, বায়্পসি, পাপ-স্মেয়ার, সিটি স্ক্যান, এন্ডস্কোপি এবং আরও অনেক পরীক্ষাই পড়ে।

নিরাময়কারী চিকিৎসা : রোগী যাতে আরো বেশী সুস্থ অনুভব করে 'নিরাময়কারী চিকিৎসা'য় সেদিকে নজর রাখা হয়। এটি রোগ প্রতিরোধের চেষ্টায় ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে আবার নাও হতে পারে। এই চিকিৎসা-পদ্ধতি ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তির শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক, এবং মনোসামাজিক অন্তর্বেদনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

অস্ত্রোপচার : সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন ক্যান্সারের মৌলিক (ভিত্তিগত) পদ্ধতি হল অস্ত্রোপচার। নিরাময় ও দীর্ঘ জীবনের জন্য এটি প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, স্থানীয় ক্যান্সারের অস্ত্রোপচার "লিম্ফ (লসিকা) নোড" সহ সমগ্র পিন্ডকে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করে।

বিকিরণ : বিকিরণ চিকিৎসা পদ্ধতি  আয়নাইজিং রেডিয়েশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যান্সারের উপসর্গ গুলোর আরোগ্য ও উপশমে চেষ্টা করে। প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে ব্রাকিওথেরাপি বা বহিরাগত চিকিৎসার ধরণ অনুযায়ী এটির ব্যবহার হয়।

কেমোথেরাপি (রাসায়নিক মিশ্রপ্রয়োগে রোগের চিকিৎসা) : স্তন ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার (কোলন/মালাশয় সম্পর্কিত), অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার, ওস্টিওজেনিক সারকোমা (হাড় সম্পর্কিত), টেস্টিকুলার ক্যান্সার (শুক্রাশয় সম্পর্কিত), ওভারিয়ান ক্যান্সার (ডিম্বাশয় সম্পর্কিত), এবং নির্দিষ্ট কতগুলো ফুসফুসের ক্যান্সারে  অস্ত্রোপচারের সঙ্গে সঙ্গে কেমোথেরাপি কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

ক্যান্সার নিরাময়ে স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট : ক্যান্সার নিরাময়ে  বিকিরণ চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে সঙ্গে স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট পদ্ধতিতে খুব উচ্চ মাত্রায় কেমো ব্যবহার করা হয়। এই  চিকিৎসা পদ্ধতি হাড়ের মাজ্জাতেও স্টেম সেলগুলোকে মেরে ফেলে। চিকিৎসার ঠিক পরই ধ্বংসপ্রাপ্ত কোষগুলোর জায়গায় স্টেম সেলগুলোকে প্রতিস্থাপিত করা হয়। রক্তের মধ্যে দিয়ে এই  স্টেম সেলগুলোকে পাঠানো হয়। সময়ের সাথে সাথে এই কোষগুলো হাড়ের মজ্জায় জায়গা করে নেয় ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে থাকে  এবং সুস্থ রক্তকোষ তৈরি  করে। এই পুরো পদ্ধতিটিকে বলা হয় 'এনগ্রাফ্টমেন্ট' বা 'অভ্যন্তরীণ স্থাপন'।

তথ্যসূত্র:
www.cancer.org
www.cancerresearchuk.org

আব বা টিউমার সদৃশ কোষগুলোর প্রকৃতির ভিত্তিতে কর্কট রোগ (ক্যান্সার) নিম্নলিখিত বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে:

কার্সিনোমা : এপিথেলিয়াল কোষ  থেকে উদ্ভূত ক্যান্সার ''কার্সিনোমাস ক্যান্সার'' নামে পরিচিত। এই প্রকারের ক্যান্সার সবচেয়ে পরিচিত ক্যান্সার, বিশেষত: বয়স্ক মানুষদের মধ্যে এটি বেশী মাত্রায় দেখা যায়।  কার্সিনোমা মূলত: স্তন, প্রোস্টেট (মূত্রস্থলীর গ্রীবা সংলগ্ন গ্রন্থিবিশেষ), ফুসফুস,অগ্ন্যাশয় ও মলাশয়ে (কোলন) ঘটে থাকে।

সারকোমা : এই ধরণের ক্যান্সার ''যোজক কলা'' (কানেক্টিভ টিস্যু) থেকে উদ্ভত (যেমন, হাড়, তরুণাস্থি, চর্বি, স্নায়ু)। অস্থি মজ্জার বাইরে মেসেনকাইমাল কোষে এটি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।

লিম্ফোমা ও লিউকোমিয়া : ক্যান্সারের এই দুটো ভাগ হেমাটোপোইটিক (রক্ত গঠনের) কোষ থেকে বেড়ে ওঠে এবং যথাক্রমে মজ্জা (ম্যারো ) ছেড়ে  লিম্ফ নোডে (গ্রন্থিতে) প্রায় পূর্ণতা প্রাপ্ত হতে থাকে। শিশুদের মধ্যে লিউকোমিয়া ক্যান্সার সবচেয়ে বেশী দেখা যায়।

জার্ম সেল টিউমার : এটি প্লুরিপোটেন্ট কোষ থেকে উদ্ভূত এক প্রকার ক্যান্সার (এ ক্ষেত্রে এই প্রারম্ভিক কোষের

ব্লাস্টমা : এই প্রকারের ক্যান্সার 'প্রিকার্সার' ("অগ্রদূত") কোষ বা আদিম কলা (এমব্রায়নিক টিস্যু) থেকে উদ্ভূত হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের মধ্যে বেশী পরিমাণে এটি দেখা যায়।

তথ্যসূত্র: training.seer.cancer.gov

  • ক্যান্সার সংক্রামক : ক্যান্সার সংক্রামক রোগ নয়। এটি ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ছড়িয়ে পড়ে  না। এটিকে একটি সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় না।
  • ক্যান্সার বংশগত : সাধারণত ক্যান্সার আপনার জীবনশৈলীর (কীভাবে জীবন যাপন করছেন) তার উপর নির্ভর করে । অ্যালকোহল, তামাক, নির্দিষ্ট কতগুলো রাসায়নিক পদার্থ, জীব ও উদ্ভিদের শরীরে উৎপন্ন বিষ (টক্সিন), হরমোনজনিত বিশৃঙ্খলতার কারণে ক্যান্সার ঘটতে পারে।
  • নিয়মিত চেক আপ ও আজকের চিকিৎসা-প্রযুক্তি গোড়ার দিকে সব প্রকারের ক্যান্সার সনাক্ত করতে পারে : যদিও নিয়মিত ডাক্তারী যত্ন ও চিকিৎসা গোড়ার দিকে ক্যান্সার সনাক্ত করতে পারে, তবে নিরাময়ের কোনো নিশ্চয়তা প্রদাণ করে না। বেশীর ভাগ ক্যান্সারকে গোড়াতেই সনাক্ত করা যায়, তবে কিছু কিছু ক্যান্সার মৃত্যু পর্যন্ত  অসানাক্ত থেকেই যায়।
  • শরীরের একটি অংশ বা অঙ্গ  থেকে আর একটিতে বিচরণের কারণে, সুচ-বায়োপসি (নিডল বায়োপসি) বা বায়োপসি (রোগনির্ণয়ের বা পরীক্ষার জন্য জীবদেহ থেকে কোষকলা কেটে বা চেঁচে নেওয়া) পদ্ধতি ক্যান্সার কোষকে বিশৃঙ্খল করতে পারে : বেশির ভাগ ক্যান্সারে সুচ বায়োপসির ফলে ক্যান্সার কোষের ছড়িয়ে পড়ার কোনো প্রমাণ নেই।
  • কারুর ক্যান্সার হলেই তার  চিকিৎসা আছে /সব প্রকার ক্যান্সারেরই চিকিৎসা আছে : ডাক্তারী  পরামর্শ ও বিকল্প পথ জেনে নেওয়ার পর কোনো ব্যক্তি চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ক্যান্সার আক্রান্ত কোন ব্যক্তির মধ্যে ক্যান্সারের কোনো চিহ্ন বা লক্ষণ নাও দেখা দিতে পারে এবং কোনো কোনো ব্যক্তির ক্যান্সারের শেষ পর্যায়ে ডাক্তারবাবু একমাত্র ব্যথা বা যন্ত্রণা উপশমের পরামর্শ দিতে পারেন।
  • ক্যান্সার সবসময়ের জন্য যন্ত্রণাদায়ক : কিছু কিছু ক্যান্সারে কোনো যন্ত্রণাই থাকে না, যা সম্পূর্ণ যন্ত্রণাবিহীন। রোগীর সন্তুষ্টির জন্য ডাক্তারবাবু এক্ষেত্রে মিছেমিছি যন্ত্রণা নিরসনের ওষুধ দিয়ে ভুলিয়ে রাখেন, ফলে রোগীর দৈনন্দিন জীবনযাপনে এর একটা সুপ্রভাব পড়ে।
  • বেশীরভাগ ডেলা বাঁধা স্তন (ব্রেস্ট ল্যাম্প) ক্যান্সার-সৃষ্টিকারী : বেশীরভাগ ডেলা বাঁধা স্তন ক্যান্সার-সৃষ্টিকারী নয়। মহিলাদের এক্ষেত্রে লজ্জা না পেয়ে স্তনে এই ধরণের কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে আগাম সুবিধার জন্য ডাক্তারী পরামর্শ নেওয়া উচিত। লাম্পটি ক্যান্সার-সৃষ্টিকারী  কিনা জানার জন্য আপনার ডাক্তার আপনাকে ম্যামোগ্রাম, আল্ট্রাসাউন্ড অথবা বায়োপসি করতে বলতে পারেন।
  • স্তন-রোপন (ব্রেস্ট ইমপ্লান্টস) ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় : যে সমস্ত মহিলারা ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট করিয়েছেন তাঁদের ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার সেরকম বড় কোনো ঝুঁকি নেই। ম্যামোগ্রামে ক্যান্সার নির্ণয় সবসময় ঠিকঠাক নাও হতে পারে তাই এর সঙ্গে সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে স্তন সমস্যা নির্দ্ধারাণে এক্স -রে করে নেওয়া প্রয়োজন।
  • নেগেটিভ ম্যামোগ্রাফিতে ক্যান্সার নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছুই নেই : অনুভূত হওয়ার আগে বা উপসর্গ দেখা যাওয়ার আগে ম্যামোগ্রাফি প্রায়ই ক্যান্সারের উপসর্গ ধরে ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে, ম্যামগ্রামে ৮০-৯০ শতাংশ ক্যান্সার সনাক্ত করা যায় এবং ১০-২০ শতাংশ অধরাই থেকে যায়।
  • ক্যান্সার সম্পর্কে কিছু বলারই প্রয়োজন নেই : ক্যান্সার সম্পর্কে কিছু বলা কঠিন। বিশেষ করে, যখন আপনি জানেন না কিভাবে আপনি সাহায্য করবেন বা ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তি আপনাকে কিভাবে নেবেন। আপনার সহমর্মী, পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা সহকর্মী ক্যান্সারে ভুগলে, খোলাখুলি ক্যান্সার সম্পর্কে আলোচনা ও চিকিৎসার সঠিক পথে এগোনো রোগের উন্নতিতে সাহায্য করে।
  • ক্যান্সারের চিকিৎসায় কিছু করার নেই : ইটি একটি কাল্পনিক ধারণা ও শ্রুতিকথা।  খোলাখুলিভাবে বলতে গেলে সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে ধরা পড়লে ক্যান্সারের চিকিৎসায় অনেক কিছুই করার আছে। পরিচিত ক্যান্সারগুলোর প্রায় ১/৩ ভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
  • ক্যান্সারের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ নেই : ইটা ঠিক যে, গোড়ার দিকে সব ক্যান্সারের উপসর্গ ধরা পড়ে না, কিন্তু ব্রেস্ট (স্তন), গ্রীবা বা ঘাড় সম্পর্কিত (কার্ভিক্যাল), চামড়া (স্কীন), কলোরেক্টাল এবং কিছু শৈশবের ক্যান্সার সহ অনেক কান্সারের ক্ষেত্রে গোড়ার দিকে ক্যান্সার নির্দ্ধারণ খুব জরুরী।  গোড়ার দিকে ক্যান্সার নির্দ্ধারণের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও ক্যান্সারের উপসর্গ ও লক্ষণ চিনে নেওয়ার শিক্ষা।

তথ্যসূত্র:
www.worldcancerday.org
www.mayoclinic.org

  • PUBLISHED DATE : May 19, 2015
  • PUBLISHED BY : NHP CC DC
  • CREATED / VALIDATED BY : NHP Admin
  • LAST UPDATED ON : Jun 04, 2015

Discussion

Write your comments

This question is for preventing automated spam submissions
The content on this page has been supervised by the Nodal Officer, Project Director and Assistant Director (Medical) of Centre for Health Informatics. Relevant references are cited on each page.