খাদ্যে বিষক্রিয়া

ভূমিকা :    

খাদ্য বাহিত অসুস্থতা বলতে সাধারণভাবে দূষিত খাদ্য ও জলের মাধ্যমে ঘটা খাদ্যে বিষক্রিয়ার কথা মনে আসে।   রাসায়নিক পদার্থ বা সংক্রামক জীবাণু দ্বারা খাদ্য দূষিত হতে পারে। খাদ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে তার সঞ্চযে যেকোনো স্তরে এমনকি পরিবেশ দূষণের কারণেও   খাদ্যে বিষক্রিয়া শুরু হতে পারে। যাথাযথ খাদ্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে খাদ্য বাহিত রোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। 

তথ্যসূত্র:

www.cdc.gov
www.nhs.uk
www.foodsafety.gov
www.who.int

 লক্ষণ

খাদ্য বাহিত রোগের সাধারণ লক্ষণ হল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল উপসর্গ  : ™

 

পেট ব্যাথা ; বমি ; এবং উদরাময় (ডায়রিয়া)।

রোগের উপর রোগের উপসর্গ নির্ভর করে।  খাবার খাওয়ার ঠিক পরপরই উপসর্গ দেখা দিতে পারে, অথবা এমনকি কয়েক সপ্তাহও নিতে পারে।

বেশির ভাগ খাদ্য বাহিত রজার ক্ষেত্রে ২৪-৭২ ঘন্টার মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয় ।

 খাদ্য বাহিত রোগ দীর্ঘ মেয়াদি স্বাস্থ্য-সমস্যা তৈরী করতে পারে। ক্যান্সার, বাত এবং স্নায়বিক রোগের মতো কঠিন রোগ ঘটাতে পারে। "

তথ্যসূত্র: www.nhs.uk

কারণ

উদ্ভিজ্জাণু বা রাসায়নিক এজেন্টের কারণে খাদ্য দূষিত হতে পারে।

 খাদ্যকে দূষিত করতে পারে এমন জীবাণু সাধারণত যেখানে যেখানে দেখা যায় :  

• মলে;

• মাটি এবং জলে ;

• ইঁদুর, পোকামাকড় এবং গৃহপালিত পশু-পাখির মধ্যে ;

• গার্হস্থ্য, সামুদ্রিক ও খামারের পশু এবং

• মানুষের মধ্যে (অন্ত্র, মুখ, নাক, অন্ত্র, হাত, হাতের নখের এবং ত্বকে ).

তথ্যসূত্র:

www.nhs.uk

রোগ-নির্ণয়

• সর্বাধিক খাদ্য বাহিত সংক্রমণ সংক্রমিত ব্যক্তির মল পরীক্ষার মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়।

• পীড়ার কারণ নির্দিষ্ট  করতে বমির উপাদানও গুরুত্বপূর্ণ 

• শারীরিক  অবস্থা  নির্ধারণে রক্তের নমুনা সংগ্রহ

• খাদ্যে বিষক্রিয়া মহামারীর আকার নিলে সন্দেহজনক খাদ্যকে জীবাণু বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হতে পারে। 

 

পরিচালনা :  

• ও আর এস দিয়ে পুনরুদন  করান অর্থাৎ জল ও খনিজের মাধ্যমে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখুন।  ডিহাইড্রেশন গুরুতর হলে শিরার মধ্যে দিয়ে পুনরুদন করান।

•  ট্যাবলেট বা সিরাপ হিসেবে জিঙ্কের পরিপূরক দিন

• পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো বন্ধ না করে চালিয়ে যান-- এই সময়ে শিশুকে বুকের দুধ পান করানো বন্ধ করবেন না। 

তথ্যসূত্র:

 www.nhs.uk

প্রতিরোধ :

খাদ্যে বিষক্রিয়া প্রতিরোধের টিপস

• হাত, রান্নার জায়গা, কাটার উপকরণ ও ছুরি পরিষ্কার রাখুন

• কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখুন এবং একইভাবে কাঁচা ও তৈরী করা খাবার কাটার আলাদা উপকরণ ব্যবহার করুন

• পান করা ও খাদ্য প্রস্তুতির জন্য বিশুদ্ধ ও নিরাপদ জল ব্যবহার করুন

• ফল ও খাদ্য ভালো করে ধুয়ে নিন, বিশেষ করে যখন কাঁচা খাচ্ছেন

• ভালো করে ফুটিয়ে খাবার রান্না করুন, বিশেষ করে মাংস, ডিম্ ও সমুদ্রের মাছ রান্না করার সময় 

• আপনার রান্না করা খাবার সঙ্গে সঙ্গে খেতে না চাইলে তা দ্রুত ঠান্ডা করুন এবং তা রেফ্রিজারেটরে রাখুন

• দুদিনের মধ্যে ফ্রিজের মধ্যে থেকে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত খাবার ও উচ্ছিষ্ট বের করে দিন

• রান্না করা খাবার ভালোভাবে গরম করে নিন

• ঘরের তাপমাত্রায় বেশি সময়  ডিম্, সামুদ্রিক মাছ, মাংস, দুধ ফেলে রাখবেন না 

তথ্যসূত্র:

 www.nhs.uk

  • PUBLISHED DATE : Sep 13, 2017
  • PUBLISHED BY : NHP Admin
  • CREATED / VALIDATED BY : Satyabrata
  • LAST UPDATED ON : Sep 13, 2017

Discussion

Write your comments

This question is for preventing automated spam submissions
The content on this page has been supervised by the Nodal Officer, Project Director and Assistant Director (Medical) of Centre for Health Informatics. Relevant references are cited on each page.