malaria.png

ম্যালেরিয়া

ম্যালেরিয়া মশা বাহিত এক প্রকার সংক্রমিত রোগ যা মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। এটি একটি পরাশ্রয়ী রোগ যা বিভিন্ন পরজীবী যেমন- প্লাসমডিয়াম ভাইভ্যাক্স (পি. ভাইভ্যাক্স), প্লাসমডিয়াম ফ্যালসিপেরাম (পি. ফ্যালসিপেরাম), প্লাসমডিয়াম ম্যালেরি (পি. ম্যালেরি) এবং প্লাসমডিয়াম ওভেল (পি. ওভেল) দ্বারা ঘটে থাকে।

এখনো পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ভারতবর্ষে সাধারনত: দু ধরণের পরজীবী  মানুষের শরীরে ম্যালেরিয়া ঘটায়  এবং এগুলো হল 'প্লাসমডিয়াম ভাইভ্যাক্স' ও 'পি. ফ্যালসিপেরাম'। সংক্রমিত স্ত্রী এনোফেলিস মশা কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে লালার মধ্যে দিয়ে পারাশ্রায়ী জীবানু (প্রোটিস্টা) শরীরের সংবহন তন্ত্রে চলে যায়, তখন তা রক্তের মাধ্যমে  যকৃতে (লিভার) যায়। যকৃতে গিয়ে ম্যালেরিয়ার জীবানু বাসা বাঁধে, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় ও প্রজনন করে।  জ্বর ও মাথার যন্ত্রনা ম্যালেরিয়ার সাধারণ উপসর্গ।  পরিস্থিতি গুরুতর হলে ম্যালেরিয়ার ফলে কোমা  বা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এই রোগ বিষুবরেখার চারপাশের গ্রীষ্মমন্ডল ও নাতিশীতষ্ণ মন্ডলে দেখা যায়। উপসাহারা-আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চল এই রোগের আওতায় পড়ে। আক্রান্ত-মশা কামড়ানোর ১০ থেকে ১৪ দিন পর মানুষের শরীরে ম্যালেরিয়া বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় যা ডাক্তারী ভাষায় 'ইনকিউবেশন পিরিয়ড' (লালন-কাল বা রোগের গর্ভাবস্থা) নামে পরিচিত। সঠিক সময়ে ম্যালেরিয়ার নির্ধারণ ও চিকিৎসা না হলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

ম্যালেরিয়া সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা: http://www.nvbdcp.gov.in/malaria-faq.html

সচেতনতার জন্য: http://nvbdcp.gov.in/bcc-iec.html

ভিডিও গ্যালারী:   Scale up the fight against Malaria
                        Key facts about Malaria
                        Vector Borne Disease Animation
                        Malaria Prevention
                        Malaria: Symptoms and Treatment

তথ্যসূত্র:
www.who.int
www.mrcindia.org
www.cdc.gov
www.nvbdcp.gov.in
www.youtube.com

আক্রান্ত মশার কামড়ের সাত দিনের মধ্যে ম্যালেরিয়ার উপসর্গগুলি দেখা যায়। সাধারণ উপসর্গগুলি হল :

  • জ্বর, মাথার যন্ত্রনা, বমি এবং অন্যান্য ভাইরাসজনিত উপসর্গ (চার থেকে আট ঘন্টা অন্তর জ্বর আসা)
  • এই পরজীবী লোহিত রক্ত কনিকাগুলিকে আক্রমণ করে ও ধংস করে দেয়, যার ফলে এনিমিয়ার কারনে ক্লান্তিভাব, খিচুনি এবং সঙ্গাহীন হওয়ার উপসর্গ দেখা যায়।
  • পরজীবীগুলি রক্তের দ্বারা মস্তিষ্ক (সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া) এবং অন্যান গুরুত্বপূর্ন অঙ্গে পরিবাহিত হয়।
  • গর্ভাবস্থায় ম্যালেরিয়া মায়ের, ভ্রুণের এবং শিশুর ব্যাপকভাবে ক্ষতি করে। এই সকল মহিলারা ম্যালেরিয়া সংক্রমণ দূর করা ও লড়াই করার ক্ষেত্রে কমজোর হয়ে পড়ে। যার ফলে গর্ভস্থ ভ্রুণ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তথ্যসূত্র : www.nvbdcp.gov.in
www.nvbdcp.gov.in

ম্যালেরিয়া পরজীবী প্লাসমোডিয়াম গনের অন্তর্ভুক্ত।  মানুষের মধ্যে ম্যালেরিয়া পি. ভাইভক্স  , পি. ফ্যালসিপেরাম, পি. ম্যালেরি এবং পি. ওভেল প্রজাতিগুলির দ্বারা ঘটে। এই সব প্রজাতির মধ্যে পি. ফ্যালসিপেরাম ও পি. ভাইভক্স খুব বেশী দেখা যায়, এর মধ্যে পি. ফ্যালসিপেরাম সর্বাধিক মারাত্মক।

ম্যালেরিয়া এবং এর বিস্তার
প্লাসমোডিয়াম পরজীবীর বিস্তার সাধারনত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার দ্বারা হয়, এটি ''রাতে কামড়ানো মশা'' নামে পরিচিত, কারন এটি সাধারনত গোধুলি থেকে ঊষা কালের মধ্যে মানুষকে কামড়ায়।  যদি একটি মশা একজন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত লোককে কামড়ায়, তখন ঐ মশা সংক্রমিত হয় এবং অন্যানদের মধ্যে এই পরজীবীর বিস্তার ঘটে। এই পরজীবী রক্ত প্রবাহের মধ্যে ঢুকে পড়ে এবং লিভারে পৌঁছে যায়। আবার রক্ত প্রবাহে ঢোকার আগে লিভারেই সংক্রমন বৃদ্ধি পায় এবং লোহিত রক্ত কনিকাগুলোকে আক্রমণ করে,  লোহিত রক্ত কনিকা কোষগুলোতে পরজীবী বৃদ্ধি পায় ও সংখ্যা বৃদ্ধি করে। কিছু সময় অন্তর আক্রান্ত লোহিত রক্ত কনিকাগুলো  ফেটে যায় এবং অনেকগুলো পরজীবী রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত লোহিত রক্ত কনিকাগুলি সাধারনত প্রতি ৪৮ থেকে ৭২ ঘন্টা অন্তর ফেটে যায়। প্রত্যেকবার ফেটে যাওয়ার সময় আক্রান্তদের ভীষন জ্বর আসে, কাঁপুনি  হয় ও ঘেমে যায়।

গর্ভাবস্থা ও ম্যালেরিয়া
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন) পরামর্শ দেয় যে গর্ভবতী মহিলারা যাতে যে সব অঞ্চলে ম্যালেরিয়ার বিপদ আছে সেখানে না যান। আক্রান্ত মশা যদি গর্ভবতী মহিলাদের কামড়ায় তবে তাদের জটিলতা বৃদ্ধির বিপদ থেকে যায়।

তথ্যসূত্র: www.nhs.uk
             www.who.int

এই রোগ নির্ণয়ের নানাবিধ পরীক্ষাগুলো হল :

আণুবীক্ষণিক পরীক্ষা
ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের সর্বাধিক ব্যবহৃত ও বিশ্বস্ত পরীক্ষা হল রক্তের আণুবীক্ষণিক পরীক্ষা, যেখানে প্রধান চারটি প্রজাতির পরজীবীকেই আলাদা আলাদা করে সহজে নির্ণয় করা যায়।

ইমিউনো ক্রোমাটোগ্রাফিক পরীক্ষা
ইমিউনো ক্রোমাটোগ্রাফিক পরীক্ষা ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়ের 'দ্রুত পরীক্ষা' নামে পরিচত । এক্ষেত্রে  'রোগ সূচক কাঠি ' (ডিপস্টিক্স)-র সাহায্যে রোগ নির্দ্ধারণ করা হয় এবং এই পরীক্ষাতে শিরার রক্ত ব্যবহার করা হয়।  সম্পূর্ণ পরীক্ষাটি হতে মোট ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে।  পরীক্ষার ফলাফল ডিপস্টিক্সের উপর রঙিন দাগের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির দ্বারা নির্ণয় করা, তাই এটি 'ক্ষেত্র পরীক্ষা' (ফিল্ড টেস্ট)-র ক্ষেত্রে খুবই উপযোগী। এই দ্রুত ডায়াগনসটিক পরীক্ষাগুলোতে রোগ  সনাক্তকরনের সীমা সর্বোচ্চ প্রতি কিউবিক লিটার রক্তে ১০০ পরজীবী (বাণিজ্যিক কিটের সীমা  ০.০২ শতাংশ  থেকে ০.১ শতাংশ প্যারাসিটিমিয়া পর্যন্ত হতে পারে)। একটি অসুবিধা হল ডিপস্টিক্স পরীক্ষা গুণগতভাবে ঠিকঠাক  কিন্তু পরিমাণগতভাবে  নয়। এই পরীক্ষায় যদি রক্তে পরজীবীর  উপস্থিত থাকে তা নির্ণয় করতে পারে,  কিন্তু সংখ্যায় কতগুলো তা গুনতে পারে না।

আনবিক পদ্ধতি
এটি ডাক্তারী পরীক্ষাগারে এবং দ্রুত 'রিয়েল-টাইম' পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়  [যেমন, পলিমারেজ  শৃঙ্খল প্রতিক্রিয়া (পলিমারেজ চেইন রিয়াকশন বা পি সি আর)] । এই পদ্ধতিটি মহামারী আক্রান্ত এলাকায় ব্যবহৃত হয় । পি সি আর (এবং অন্যান্য আণবিক পদ্ধতি) আণুবীক্ষণিক পরীক্ষার চেয়ে আরো বেশী সঠিক হয়।

আরো ভালোভাবে স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য-সম্পর্কিয় বিষয় বোঝার জন্য ''এন এইচ পি''  নির্দেশক ও পরিচায়ক তথ্য প্রদান করে। যে কোনো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য আপনি আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

তথ্যসূত্রs: www.nhs.uk
               www.cdc.gov

ম্যালেরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ন  রোগ, যদি সময়মত তাড়াতাড়ি রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না হয় তবে এটি মারাত্মক হতে পারে। ফ্যালসিপেরাম পরজীবী সবচেয়ে বেশী ক্ষতিকর এবং সবচেয়ে বেশী মৃত্যু ঘটায়।

রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) : ম্যালেরিয়ার  পরজীবী দ্বারা লোহিত রক্ত কনিকার ধংসের ফলে ক্ষতিকর অ্যানিমিয়া দেখা যায়। অ্যানিমিয়া এমন একটি অবস্থা যেখানে লোহিত রক্ত কনিকাগুলো  যথেষ্ট পরিমান অক্সিজেন শরীরের পেশী ও অন্যান অঙ্গে পরিবহন করতে পারে না এবং  এর ফলে রোগীর মধ্যে যখনতখন ঘুমঘুম ভাব আসে , শারীরিক দুর্বলতা প্রকাশ পায় এবং শরীর ফ্যাকাসে হয়ে যায়।

সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া : সাধারনত ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া জটিল আকারে দেখা যায়। এর ফলে সাধারনত মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয় ও মস্তিষ্ক ফুলে যায়।  কিছু ক্ষেত্রে স্থায়ীভাবে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে রোগীর শরীরের স্বাভাবিক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে খিঁচুনি হতে পারে অথবা শরীরে চেতনাহীন  কোমা  অবস্থার সূচনা হতে পারে।

অন্যান্য  জটিলতা
মারাত্মক ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে অন্যান্য নিম্নলিখিত জটিলতাগুলো  তৈরী হতে পারে :

  • শ্বাসকষ্ট ,ফুসফুসে জল জমা, লিভারের কাজ বন্ধ হওয়া ও জন্ডিস (চোখ ও ত্বকের রং হলুদ হওয়া  হয়ে যাওয়া)
  • শক (রক্ত প্রবাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া)
  • অবিরত রক্তপাত হওয়া
  • রক্তে শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া
  • কিডনির কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • প্লীহা ফুলে যাওয়া ও ছিদ্র হয়ে যাওয়া
  • ডিহাইড্রেশন (শরীরে জল কমে যাওয়া)

তথ্যসূত্র: www.nhs.uk

ক) কীটের প্রজনন নিয়ন্ত্রণ (লার্ভা ও পিউপা অবস্থায় )

  • সমস্ত প্রজনন জায়গা ভর্তি করে এবং ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে।
  • জমানো জল সবসময় ঢাকনা দিয়ে রাখুন। সর্বদা গাড়ীর টায়ার, পাত্র , কুলার, ট্যাংক এধরণের জায়গায় জল যাতে না জমে তা সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে।  সম্ভাব্য জায়গাগুলো ক্লোরিন বা টেমেফস দিয়ে সপ্তাহে একবার পরিষ্কার করুন।
  • প্রজনন উৎসকে বার করে দিন।
  • ঘর সাজানো ট্যাংক, ঝর্না এবং অন্যান্য স্থানে গাম্বুসিয়া বা গাপ্পির মত লার্ভা-ভক্ষনকারী মাছ ব্যবহার করুন।
  • খাবার জলে অ্যাবেটের মত লার্ভা বিনাশকারী রাসায়নিক ব্যবহার করুন।

খ) ঘরোয়া প্রতিকার :

  • ঘুমোনোর সময় একটি ভালো মশারি ব্যবহার করুন।
  • মশা তাড়ানোর ওষুধ, তরল, কয়েল ও ম্যাট ব্যবহার করুন।
  • কীটনাশকের সঙ্গে 'ইন্ডোর রেসিডুয়াল স্প্রে' (এই আর এস) ব্যবহার করুন।
  • দিনের সময় অ্যারোসল স্পেস স্প্রে ব্যবহার করুন।
  • কীট-পতঙ্গ-নাশক  ব্যবহার করুন।
  • ঘরের জানালা, ভেন্টিলেটার ও খোলা জায়গায় তারের জাল লাগান।
  • কীটনাশক দ্বারা ধুয়ে নেওয়া মশারি ব্যবহার করুন।
  • শরীরের বেশিরভাগ অংশ জামা কাপড়ে ঢেকে রাখুন।
  • সঠিক কীট তাড়ানোর ঔষধ যাতে ডি ই ই টি অর্থাৎ ডায়েথাইলটোলুয়ামাইড আছে তা ব্যবহার করুন।
  • সন্ধ্যায় এবং রাতের সময় যখন মশার কামড়ের ভয় সবচেয়ে বেশী তখন  দরজা ও জানালা ভালোভাবে বন্ধ রাখুন।

গ) জনসাধারনের সুরক্ষায়  :

  • প্রাদুর্ভাবের সময় ম্যালাথিয়ন স্প্রের ছড়িয়ে রাখা।
  • হাতল লাগানো কলের চারপাশের জায়গা ভালোভাবে সিমেন্টিং করা, সঙ্গে নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালোভাবে করতে হবে।
  • আনোফেলিসের প্রজনন জায়গা সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে জনসাধারনের সংবেদনশীলতা এবং যোগদান বেশী করে প্রয়োজন।

ঘ) ভ্রমনের সময় সুরক্ষা :

  • যদি ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তবে ঐ বিশেষ এলাকায় ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি আছে কিনা তা জানুন এবং ভ্রমনের আগে ডাক্তারের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে নিন।
  • ম্যালেরিয়া-আক্রান্ত এলাকায় যদি ভ্রমনে যান, তবে নিজের সঙ্গে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ওষুধ অবশ্যই নেবেন।

ঙ) গর্ভাবস্থায় ম্যালেরিয়া থেকে রেহাই  :

  • কীটনাশক দ্বারা শোধিত মশারি / দীর্ঘস্থায়ী কীটনাশক মশারি (এল এল এই এন )ব্যবহার করুন।
  • উপরে উল্লিখিত সব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ব্যক্তিগতভাবে মেনে চলুন।

ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের ভিডিও গ্যালারী:     https://www.youtube.com/watch?v=h8TdV3q4C1k
                                                                 https://www.youtube.com/watch?v=0xSUITkRvbA
                                                                 https://www.youtube.com/watch?v=G9Sviuz3wgE
                                                                 https://www.youtube.com/watch?v=9GxxkjhPp2s


তথ্যসূত্র: www.nvbdcp.gov.in
             www.nhs.uk

ম্যালেরিয়া নিরাময়ের জন্য ম্যালেরিয়া-বিরোধী ওষুধগুলোর অন্তর্ভূক্ত হল :

  • কুইনাইন এবং সম্পর্কিত প্রতিনিধি বা এজেন্ট
  • ক্লোরোকুইন
  • আমোডিয়াকুইন
  • পাইরি মেথামাইন
  • প্রোগুয়ানিল
  • সাল্ফনামাইডস
  • মেফ্লোকুইন
  • আটোভাকুওন
  • প্রাইমাকুইন
  • আর্টেমিসাইনিন এবং উদ্ভূত বস্তুসমূহ
  • হ্যালোফানট্রিন
  • ডোক্সিসাইক্লিন
  • ক্লিনডামাইসিন

'দ্রুত রোগ নির্ণয় পরীক্ষা'-র পর ম্যালেরিয়ার  সম্পূর্ণ  চিকিৎসা করা হয়।

আরো ভালোভাবে স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য-সম্পর্কিয় বিষয় বোঝার জন্য ''এন এইচ পি''  নির্দেশক ও পরিচায়ক তথ্য প্রদান করে। যে কোনো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য আপনি আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

তথ্যসূত্র: www.mrcindia.org

  • PUBLISHED DATE : May 18, 2015
  • PUBLISHED BY : NHP CC DC
  • CREATED / VALIDATED BY : NHP Admin
  • LAST UPDATED ON : Jun 04, 2015

Discussion

Write your comments

This question is for preventing automated spam submissions
The content on this page has been supervised by the Nodal Officer, Project Director and Assistant Director (Medical) of Centre for Health Informatics. Relevant references are cited on each page.