অন্ধত্ব

অন্ধত্ব

অন্ধত্ব বলতে বোঝায় :

1.৬ মিটার দূরত্বের মধ্যে কোনো ব্যক্তির আঙ্গুল গণনা করতে না পারা, অথবা

2. যেকোনো ত্রুটিহীন চশমা দিয়েও যদি কোনো ব্যক্তির দৃষ্টি ক্ষমতা ৬/৬০ বা তারও কম হয়, অথবা

3. তুলনামূলকভাবে ভালো চোখে যদি দৃষ্টি ক্ষেত্র ২০ ডিগ্রি বা তারও  কম হয়

 

দৃষ্টি বিকলতার প্রধান দুটো ধরণ থাকে  যেমন :

 

1. আংশিকভাবে দেখতে পাওয়া বা দৃষ্টিশক্তির বিকলতা

2. গুরুতর দৃষ্টিশক্তির বিকলতা (অন্ধত্ব)

বিভিন্ন মাত্রায় দৃষ্টিশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির ক্ষেত্রগুলোর খহতিগ্রস্ত হওয়ার ভিত্তিতে অন্ধত্বকে যেভাবে ভাগ করা হয় সেগুলো হল  :

• ইকোনোমিক ব্লাইন্ডনেসs:  ৬ মিটার দূরত্বের মধ্যে আঙ্গুল গণনা করতে না পারা

• সোশ্যাল ব্লাইন্ডনেস : দৃষ্টিশক্তি ৩/৬০ অথবা দৃষ্টিশক্তির ক্ষেত্র কমে ১০ ডিগ্রি

• ম্যানিফেস্ট ব্লাইন্ডনেস : দৃষ্টিশক্তি ১/৬০ যা কেবলমাত্র আলো অনুভব করতে পারে

• চরম অন্ধত্ব : আলোর কোনো অনুভূতি না থাকা

• আরোগ্যযোগ্য অন্ধত্ব : সঠিক পরিচালনায় চোখের ক্ষতি সরিয়ে তোলা

• প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব : প্রতিষেধক মাপকাঠিতে অন্ধত্বকে  প্রতিরোধ করা

• পরিহার্য অন্ধত্ব : প্রতিরোধযোগ্য বা আরোগ্যযোগ্য অন্ধত্বের যোগফল

তথ্যসূত্র:

www.npcb.nic.in

 

কারণ: 

অন্ধত্বের মুখ্য কারণগুলোর মধ্যে পড়ে

• ছানি

• প্রতিসারক ত্রুটি

• গ্লকোমা

• কর্নিয়ার অস্বচ্ছতা

• বয়স সম্পর্কিত ম্যাকুলার ক্ষয়

• ট্র্যাচমা

• ডায়াবেটিসের কারণে রেটিনার ক্ষয়

• শৈশবের অন্ধত্ব

• চোখের উপরিভাগে দুর্ঘটনা বা আঘাত

 অন্যান্য ককরণগুলোর মধ্যে পড়ে :

• লেজি আই

• রেটিনিস পিগমেন্টোসা

• চোখের টিউমার

• অপটিক নিউরিটিস

তথ্যসূত্র: 

www.nlm.nih.gov

রোগ নির্ণয়:

যেসব মূল্যায়নের ভিত্তিতে রোগ নির্ণয় করা হয় :

দৃষ্টিশক্তির তীক্ষ্নতা: কোনো বস্তুকে ভালোভাবে দেখতে গেলে কেন্দ্রীয় দৃষ্টির প্রয়োজন। দৃষ্টিশক্তির তীক্ষ্নতা পরিমাপে স্নেলেন তালিকা ব্যবহার করা হয়। রোগী থেকে ৬ মিটার দূরত্বে স্নেলেন তালিকা দিয়ে রোগীকে অক্ষর পড়ানো হয় ও এক্ষেত্রে মানদণ্ডের ভিত্তিতে অক্ষরগুলোকে ক্রমশ ছোট করে দেওয়া হয়। দৃষ্টিশক্তি ৬/৬০ হওয়ার অর্থ হল একজন রোগী ৬ মিটার থেকে পড়তে পারে যেখানে একজন সাধারণ দৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ ঐ লেখাতে ৬০ মিটার থেকে পড়তে পারে।

দৃষ্টিশক্তি ক্ষেত্র : এটি হলো সংবদ্ধ বিন্দুর চারপাশে দেখতে পাওয়ার ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: www.nhs.uk

পরিচালনা :

যেসব কারণে ডাক্তারি বা সার্জারীমূলক চিকিৎসার প্রয়োজন :

• পুষ্টির অভাব

• প্রতিসারক ত্রুটি

• প্রদাহ এবং সংক্রমণ

• ছানি

• গ্লকোমা

• কর্নিয়ার অস্বচ্ছতা

• ডায়াবেটিসের কারণে রেটিনার ক্ষয়

তথ্যসূত্র: 

http://www.lassjol.hu/en/

  • PUBLISHED DATE : May 05, 2017
  • PUBLISHED BY : DEEPAK CHANDRA
  • CREATED / VALIDATED BY : Satyabrata
  • LAST UPDATED ON : May 05, 2017

Discussion

Write your comments

This question is for preventing automated spam submissions
The content on this page has been supervised by the Nodal Officer, Project Director and Assistant Director (Medical) of Centre for Health Informatics. Relevant references are cited on each page.