অস্টিওপোরোসিস

ভূমিকা

অস্টিওপোরোসিস বলতে বোঝায়  হাড়ের মধ্যে খনিজের  ঘনত্বের  মানগত ক্ষয়  ২.৫  বা পরিমাণ আরো নিচে নেমে যাওয়া । এটা একটা শারীরিক অবস্থা যা  হাড়কে আক্রমন করে, দুর্বল করে এবং ভঙ্গুর করে দেয়,  ফলে হাড়  ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

অস্টিওপরোসিসের  প্রচলিত ধারণগুলো হল :

 

1) প্রাথমিক অস্টিওপোরোসিস:

 টাইপ ১ : এটিকে মেনোপজ-পরবর্তী অস্টিওপরোসিসও বলা হয়।

টাইপ -২: টাইপ -২ বা বার্ধক্যজনিত অস্টিওপরোসিস ৭৫ বছর বয়সের পরে দেখা যায়।

2) গৌণ  অস্টিওপোরোসিস:

পূর্বের কোনো  শারীরিক সমস্যা বা রোগ বা গ্লুকোকর্টিকোয়েড ওষুধের মতো কোনো ওষুধের  দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে  গৌণ  অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। 

তথ্যসূত্র:

www.cdc.gov
www.who.int
www.nlm.nih.gov
www.youtube.com
Merck Serono - Bone and Joint Health

উপসর্গ

অস্টিওপোরোসিস সারা বছর ধরে একটু একটি করে বাড়তে থাকে ।  কখনো কখনো ছোটোখাটো পড়ে  যাওয়াও  হাড়ে চিড় ধরাতে পারে।সাধারণত শিরদাঁড়া, পাঁজর, নিতম্ব এবং কব্জিতে হাড়ের ভঙ্গুরতা বেশি দেখা যায় ।

 

উপসর্গগুলির মধ্যে পড়ে :

• গাঁটে ব্যাথা

• ফোলা

• উচ্চতা হ্রাস এবং ঝুঁকে পড়া শারীরিক ভঙ্গি

• অঙ্গ-বৈকল্য বা অঙ্গহানি

• বেঁকে যাওয়া পিঠ (ডয়েজার্স হাম্প)

• দুর্বলতা

তথ্যসূত্র: 

 www.nhs.uk

কারণ

 হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া হল অস্টিওপোরোসিস এবং এর কারণগুলোর মধ্যে পড়ে :

• মেনোপজের পর মহিলাদের ইস্ট্রজেনের মাত্রা কমে যায়

• হাইপারথাইরয়ডিজম

• হাইপারপ্যারাথাইরয়ডিজম

• অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির অস্বাভাবিকতা

• পিটুইটারি গ্রন্থির অস্বাভাবিকতা

অন্যান্য কারণ যেগুলি অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলে মনে করা হয় সেগুলি হল পরিবারে অস্টিওপরোসিসের পূর্বের ইতিহাস এবং স্টেরয়েডের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার। 

তথ্যসূত্র:

 www.nhs.uk

রোগ নির্ণয়:

অস্টিওপোরোসিস প্রায়ই ধরা পড়ে হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর যা পরবর্তীকালে হাড়ে চিড় ধরিয়ে দেয়

 

শুধু প্রচলিত রেডিওগ্রাফি কিংবা এমআরআই বা সিটি স্ক্যানের সঙ্গে রেডিওগ্রাফি।

 

ডুয়াল এনার্জি এক্সরে অ্যাবজরসিওমেট্রি  (ডি এক্স এ ) অস্টিওপরোসিস রোগ নির্ণয়ের জন্য সর্বোত্তম হিসেবে গণ্য করা হয়।

 

হাড়ের ক্ষয় নির্ণয় করার একটি দরকারী অস্ত্র হল রাসায়নিক বায়োমার্কার।

তথ্যসূত্র:

www.nhs.uk

 

পরিচালনা:

জীবনযাত্রা : ধূমপান বন্ধ করে দেওয়া ও পরিমিত মদ্যপানেই পরামর্শ দেওয়া হয়।

 

পুষ্টি: ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম পরিপূরক একসঙ্গে হাড় ভেঙ্গে যাওয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। যাইহোক, এগুলির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

 

ওষুধের ব্যবহার : ভবিষ্যতে হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য বিসফসফোনেটস এর ব্যবহার খুবই উপযোগী। 

 

প্রতিরোধ

নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম অপরিহার্য। পূর্ণবয়স্কদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০ মিনিট, সপ্তাহে পাঁচবার ব্যায়াম করার পরামর্শ দেওয়া হয়।  ওজন বহনের ব্যায়াম খুবই উপকারী।

 

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া : সুস্থ হাড়ের জন্য ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খাওয়া অপরিহার্য। ধূমপান করা, বেশি মদ্যপান করা চলবে না।

 

  • PUBLISHED DATE : May 05, 2017
  • PUBLISHED BY : DEEPAK CHANDRA
  • CREATED / VALIDATED BY : Satyabrata
  • LAST UPDATED ON : May 05, 2017

Discussion

Write your comments

This question is for preventing automated spam submissions
The content on this page has been supervised by the Nodal Officer, Project Director and Assistant Director (Medical) of Centre for Health Informatics. Relevant references are cited on each page.