সিজোফ্রেনিয়া

সিজোফ্রেনিয়া

সিজোফ্রেনিয়া একটি দীর্ঘ-মেয়াদী মানসিক অসুস্থতা যা বেশ কিছু মানসিক মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা তৈরি করে |

  • হ্যালুসিনেশন - অস্তিত্ব নেই এমন কিছু জিনিস শোনা বা দেখা |
  • বিভ্রম (ডিলিউশন)- বাস্তবের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন  অস্বাভাবিক বিশ্বাস |
  • বিভ্রান্ত চিন্তা যা অলীক কিছুর অস্তিতে বিশ্বাস বা হ্যালুসিনেশনের উপর প্রতিষ্ঠিত
  • আচরণের পরিবর্তন

সিজোফ্রেনিয়া আছে এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ডিপ্রেশন বা হতাশা এবং উদ্বেগ আনুষঙ্গিক হিসেবে দেখা যায় |

তথ্যসূত্র

www.who.int
www.nhs.uk
www.cdc.gov
http://www.schizophrenia.com/coping.html

 

চিন্তাভাবনা ও আচরণের পরিবর্তন সিজোফ্রেনিয়ার সাধারণ লক্ষণ | এগুলোর মধ্যে পড়ে :

1) হ্যালুসিনেশনস: হ্যালুসিনেশনস হল একজন মানুষ যখন বাস্তবে নেই এমন কিছু বস্তু বা ব্যক্তির উপস্থিতি অনুভবের অভিজ্ঞতা লাভ করে |

2) বিভ্রম: বিভ্রম বা ডিলিউশন হল একটি বিশ্বাস যা প্রত্যয়ের সঙ্গে সম্পন্ন হয়, অথচ এটি ভুল, আশ্চর্য ও অবাস্তব দৃষ্টিভঙ্গির উপর প্রতিষ্ঠিত |

3) বিভ্রান্ত চিন্তা (বিশৃঙ্খল চিন্তা): এটি এক মনোব্যাধির অভিজ্ঞতা | এর ফলে চিন্তাভাবনা ও কথোপকথনের মধ্যে সঙ্গতি বা খেই থাকে না |

4) আচরণ ও চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন: এর ফলে আচরণ অসঙ্গত এবং অনির্দেশ্য হয়ে পড়ে যা অন্যদের কাছে অস্বাভাবিক মনে হয় |

তথ্যসূত্র :  www.nimh.nih.gov

 

সিজোফ্রেনিয়ার প্রকৃত কারণ অজানা | শারীরিক, বংশগত, মনস্তাত্ত্বিক ও পরিবেশগত কারণে সিজোফ্রেনিয়া হতে পারে বলে অনুমান করা হয় |

ঝুঁকির  বিষয় 

বংশগত :  বংশগত কারণে সিজোফ্রেনিয়া হতে পারে, তবে কোনো নির্দিষ্ট জিন এর জন্য দায়ী নয় |

নিউরোট্রান্সমিটার : মস্তিস্কের কোষগুলোর মধ্যে বার্তা বহন করে নিউরোট্রান্সমিটার | নিউরোট্রান্সমিটার ও সিজোফ্রেনিয়ার মধ্যে একটা সম্পর্ক রয়েছে |

গর্ভাবস্থা জন্মের জটিলতা

  • গর্ভাবস্থায় রক্তপাত, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বা প্রাক-এক্লাম্পসিয়া
  • গর্ভের মধ্যে শিশুর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, কম ওজনের শিশু
  • গর্ভাবস্থায় ভাইরাসের আক্রমণ
  • জন্মের সময় জটিলতা, অক্সিজেনের অভাব (এস্ফিক্সিয়া) ও সিজারিয়ান সেকশন

চাপ : চাপযুক্ত কোনো ঘটনা হল মানসিক বিভ্রান্তির ট্রিগার, যেমন মানসিক শোষণ, আপনার চাকরি বা বাড়ি হারানো, বিবাহবিচ্ছেদ বা সম্পর্কের ইতি, বা শারীরিক, যৌন, মানসিক বা জাতিগত শোষণ ।

ড্রাগের ব্যবহার : নির্দিষ্ট কতগুলো নেশার দ্রব্য যেমন গাঁজা, কোকেন, এলএসডি বা এমফেটামিন সিজোফ্রেনিয়া তৈরি করতে পারে |

তথ্যসূত্র : www.nhs.uk

 

এর কোনো টেস্ট বা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা নেই | লক্ষণের ভিত্তিতে এর চিকিত্সা হয় |

 

পরিচালনা : এন্টিসাইকোটিক অর্থাৎ মনোরোগ নিরাময়ের ওষুধ দিয়ে এর চিকিত্সা হয় | মানসিক ও সামাজিক সহায়তা এর চিকিত্সার অঙ্গ |

ঔষধের সাহায্যে চিকিত্সা : এন্টিসাইকোটিক অর্থাৎ মনোরোগ নিরাময়ের ওষুধ দিয়ে প্রায় ৭-১৪ দিনে সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষনগুলো কমানো যেতে পারে |

মনস্তাত্ত্বিক : কতগুলো মনস্তাত্ত্বিক হস্তক্ষেপের সাহায্যে সিজোফ্রেনিয়া নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে :

  • পারিবারিক থেরাপি
  • কমিউনিটি ট্রিটমেন্ট
  • সমর্থিত কর্মসংস্থান
  • জ্ঞানীয় প্রতিকার

তথ্যসূত্র : www.nimh.nih.gov

 

  • PUBLISHED DATE : Mar 20, 2018
  • PUBLISHED BY : NHP Admin
  • CREATED / VALIDATED BY : Satyabrata
  • LAST UPDATED ON : Mar 20, 2018

Discussion

Write your comments

This question is for preventing automated spam submissions
The content on this page has been supervised by the Nodal Officer, Project Director and Assistant Director (Medical) of Centre for Health Informatics. Relevant references are cited on each page.