হাম

ভূমিকা : হাম হল অত্যন্ত সংক্রমক একটি রোগ যা শৈশবে কিশোর-কিশোরীর মধ্যে বা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দেখা দিতে পারে। সংক্রমিত ব্যক্তির নাক বা মুখ বা গলা থেকে নির্গত জলের ফোঁটা থেকে হাম ছড়াতে পারে। হামের প্রাথমিক সংক্রমণের মধ্যে পড়ে উচ্চ মাত্রার জ্বর, নাক দিয়ে জল পড়া, রক্তরাঙা চোখ এবং মুখের ভিতর অতি ক্ষুদ্র সাদা দাগ সঙ্গে সারা শরীর জুড়ে Rash বা ফুসকুড়ি। হামের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই এবং বাচ্চারা ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে সেরে ওঠে। বাচ্চাদের হামের চিকিৎসা ও সেবা ঠিকমতো না হলে নানাবিধ জটিলতা দেখা দিতে পারে। টিকাকরণের মাধ্যমে হাম প্রতিরোধ সম্ভব।

তথ্যসূত্র:

www.cdc.gov
www.who.int
www.who.int
www.vaccineindia.org

 

লক্ষণ: আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে হামের লক্ষণ ১০-১৪ দিন পর প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক উপসর্গগুলোর মধ্যে পড়ে :

  • উচ্চ মাত্রায় জ্বর
  • জয়বাংলা
  • কাশি
  • করাইজা যাকে সাধারণ ভাষায় নাক দিয়ে জল পড়া বলে
  • নেত্রবর্ত্মকলাপ্রদাহ বা কনজাংকটিভিটিস সঙ্গে গালের মধ্যে ছোট ছোট সাদা দাগ।
  • ম্যাকুলা পাপুলার-ফুসকুড়ি মুখে ও গলার উপর ভাগে দেখা যায় ও ক্রমশ তা গলার নিচের অংশে, বাহু, কাঁধ, হাতের তালু ও পায়ে ছড়িয়ে পড়ে।
  • ব্যথা
  • ক্ষুধামান্দ্য
  • শারীরিক শক্তি কমে যাওয়া

তথ্যসূত্র www.nhs.uk

 

এটি একটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট শ্বাসযন্ত্রের একটি সংক্রমণ, বিশেষত একটি প্যারামাইজো ভাইরাস, যা প্যারিমাইকোভিরিডিডে পরিবারে বর্ণিত মরবিলিভিয়ার প্রজাতির একটি একক-অচেতন, নেতিবাচক-অনুভূতির RNA ভাইরাস। মানুষই এই  ভাইরাসের আমন্ত্রণ কর্তা।

 

রোগ নির্ণয়: জ্বর, ম্যাকুলা পাপুলার ফুসকুড়ি, লাগাতার তিন দিন ধরে কাশি, করিজা কঞ্জাঙ্কটিভাইটিসের ভিত্তিতে হামের চিকিৎসা করা হয়।

  • কোপলিকের স্থানগুলি পর্যবেক্ষণ করা হয় হামের ডায়গনিস্টিক বৈশিষ্টের মধ্যে পড়ে

Reference: www.vaccineindia.org

 

পরিচালনা:  হামের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। পুষ্টিকর খাওয়া দাওয়া, পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল পান, ও আর এস দিয়ে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ ও এন্টিপায়রেটিক্সসহ হামের সহায়ক চিকিৎসা করা যেতে পারে।

নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উপসর্গ উপশম করতে পারে:

• অ্যাসিটামিনোফেন (Tylenol)

• বিছানায় বিশ্রাম

• উপযুক্ত বায়ু

তবে, রোগী অসুস্থ হলে রোগীকে সঠিক পরামর্শ দেওয়ার জন্য ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র : www.nlm.nih.gov

 

 

প্রতিরোধ :

 হামের টিকা বা হাম, মাম্পস, এবং রুবেলার জন্য সংমিশ্রিত MMR টিকা বাচ্চাদের হাম প্রতিরোধে সহায়ক।

৯-১২ মাস বয়সে প্রথম মাত্রার হামের টিকা দেওয়া হয় ও দ্বিতীয় মাত্রা ১৬-২৪ মাস বয়সে।

 ভিটামিন এ-র প্রোফাইলেটিক মাত্রা ৫ বছর বয়স পর্যন্ত দেওয়া যায়।

শিশুর সর্বাঙ্গীন শারীরিক উন্নতির জন্য পুষ্টির দিকে সঠিক নজর রাখা প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র

 http://www.who.int
http://nrhm.gov.in/
www.cdc.gov
www.vaccineindia.org

 

  • PUBLISHED DATE : Mar 22, 2018
  • PUBLISHED BY : NHP Admin
  • CREATED / VALIDATED BY : Satyabrata
  • LAST UPDATED ON : Mar 22, 2018

Discussion

Write your comments

This question is for preventing automated spam submissions
The content on this page has been supervised by the Nodal Officer, Project Director and Assistant Director (Medical) of Centre for Health Informatics. Relevant references are cited on each page.